মধুর পাঁচটি ভিন্ন ব্যবহার।

মধুর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিফাংগাল এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। এগুলো রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে। ত্বকের সুরক্ষায়, ঠান্ডা প্রতিরোধে, ত্বক উজ্জ্বল করতে ইত্যাদি বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত বিষয়ে মধু ব্যবহার হয়ে আসছে দীর্ঘকাল ধরেই। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ ডাইজেস্ট জানিয়েছে মধুর পাঁচটি ভিন্ন ব্যবহারের কথা।    

১. ময়েশ্চারাইজিং মাস্ক

মধুকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। কাঁচা মধু মুখে ঘষুন। এরপর মুখ পরিষ্কার করুন, মুখ শুকান। এরপর মুখে মধুর মাস্ক লাগান। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বক নরম হয়।

২. ঠান্ডা দূর করতে

ঠান্ডা এবং ফ্লু প্রতিরোধে মধু খাওয়া প্রচলিত একটি ঘরোয়া উপায়। এক কাপ গরম পানিতে মধু, দারুচিনি গুঁড়ো ও আদা কুচি মেশান। একে পান করুন। এটি ঠান্ডা ভালো করার ঘরোয়া পদ্ধতি। ঠান্ডা লাগলে প্রতি দুই ঘণ্টা পরপর এটি পান করতে পারেন।

৩. ক্ষতরোধে

মধুর মধ্যে আছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। এটি প্রদাহ প্রশমন করে এবং লালভাব দূর করে। ক্ষতের মধ্যে মধু লাগিয়ে গজ দিয়ে বেঁধে দিন। এটি একটি আর্দ্র আবহাওয়া তৈরি করবে এবং ত্বকের যেকোনো ধরনের গন্ধ দূর করবে।

৪. লিপ বাম

মধুর মধ্যে থাকা ময়েশ্চারাইজিং উপাদান ঠোঁটের সুরক্ষার জন্যও ভালো। সামান্য মধু আঙুলে নিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট ঠোঁটে মাখুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন। এটি ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ভালো কাজ করবে।   

৫. নখ

দুর্বল ও ভঙ্গুর নখের চিকিৎসায় মধু খুব ভালো উপাদান। এক টেবিল চামচ মধু এক-চতুর্থাংশ কাপ এপেল সিডার ভিনেগারের মধ্যে মেশান। মিশ্রণটির মধ্যে ১০ মিনিট নখ ভিজিয়ে রাখুন। এরপর নখ ধুয়ে ফেলুন। নখকে মজবুত করতে প্রতি সপ্তাহে এটি করুন।



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *