ঘাড় ও কাধে ব্যাথা দূর করবেন?

বয়সজনিত নানা কারণে অনেকের কাঁধে ব্যথা হতে পারে। এছাড়া কমবয়সীদের মধ্যেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। আপনার কাঁধে কী ধরনের ব্যথা হচ্ছে, তা কি সাময়িক নাকি ক্রনিক ব্যথায় কষ্ট পাচ্ছেন তা জেনে রাখা প্রয়োজন। তারপরে নিজে বাড়িতে চিকিৎসা না করিয়ে পুরোপুরি ঘরোয়া টোটকায় ভরসা করা উচিত নয়। অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ঘরোয়া টোটকা ব্যবহার করতে পারেন যদি ব্যথা সহ্যের মধ্যে থাকে। তবে তার আগে অবশ্যই কারণ খুঁজে বের করা প্রয়োজন।

পুরনো কোনও ব্যথা, স্পন্ডিলাইটিস, কাঁধের মাংসপেশিতে কোনও চাপ পড়লে অথবা ঘুমের সময়ে ঠিকভাবে না শুয়ে থাকলে এমনটা হতে পারে। যার ফলে সারাক্ষণের অস্বস্তি ও ব্যথা হয় ও কাজে মন বসানো অসম্ভব হয়ে ওঠে। ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে যারা বেশিক্ষণ কাজ করেন, তাদের এই ধরনের সমস্যা খুব স্বাভাবিকভাবেই হতে পারে।

এমনকী বেশিক্ষণ মোবাইল নিয়ে ঘাঁটলেও কাঁধ, ঘাড়ের ব্যথায় আক্রান্ত হতে পারেন আপনি। এর পাশাপাশি গলব্লাডারে কোনও সমস্যা, লিভার বা হৃদপিণ্ডে কোনও গন্ডগোল হলে তার প্রভাব পড়তে পারে কাঁধ বা ঘাড়ে। কীভাবে ঘরোয়া উপায়ে এই ব্যথা কমাবেন তা জেনে নিন।

ঠান্ডা প্রলেপ : বরফের টুকরো গ্লাসে বা প্যাকেটে ভরে ব্যথা জায়গায় দিতে পারেন। এতে কিছুক্ষণের জন্য ব্য়থা বোধ অনুভূত হবে না। এভাবে আস্তে আস্তে ব্যথা কমবে।

লবন জলে গোসল :  গরম পানিতে লবন মিশিয়ে গোসল করতে পারেন। এতে রক্ত সঞ্চালন ভালো হবে। এবং ক্লান্ত মাংসপেশি আরাম পাবে। বাথটাব থাকলে পানিতে লবন মিশিয়ে শরীর ডুবিয়ে রাখুন।

গরম প্রলেপ : শুধু কাঁধ-ঘাড়ে ব্যথার জন্যই নয়, যেকোনও জায়গার ব্যথা কমাতেই এটি অব্যর্থ। হট ওয়াটার ব্য়াগে গরম পানি ভরে ব্যথা জায়গায় চেপে রাখুন।

হলুদ : নারকেল তেলে হলুদ মিশিয়ে সেই প্রলেপ ব্যথা জায়গায় লাগান। কয়েকদিনের মধ্যেই ফল পাবেন।

আদা চা : আদায় এমন উপাদান রয়েছে যা শরীরে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। যার ফলে ব্যথা সেরে যায়। গ্রিন টি-র মধ্যে আদা ও মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস উপকারে আসবে।

অ্যাপেল সিডার : ভিনেগার কাঁধ ও ঘাড়ের ব্যথা সহ শরীরের যেকোনও ব্যথা দূর করতে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার বেশ উপকারী। গরম জলে ভিনেগার মিশিয়ে ক্লান্ত মাংসপেশিকে সবল করে তুলতে পারেন। এছাড়া ভিনেগার, ও মধু জলে মিশিয়ে সেটি খেলেও উপকার পাবেন।

সূত্রঃ ইন্টারনেট



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *